চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গহিরা গ্রামে ১৯১৯ সালের ২৬ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন পাকিস্তানের জাতীয় সংসদের স্পিকার ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, গণমানুষের নেতা জননেতা আলহাজ্ব এ. কে. এম. ফজলুল কাদের চৌধুরী। তিনি ছিলেন এক দূরদর্শী, প্রজ্ঞাবান এবং জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যার নেতৃত্ব ও কর্মপ্রয়াস চট্টগ্রামের উন্নয়নের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে আছে।
চট্টগ্রামের সামগ্রিক শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সুদূরপ্রসারী চিন্তার ফলেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বর্তমান চুয়েট), চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মেরিন ফিশারিজ একাডেমি, মেরিন একাডেমি এবং পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এসব প্রতিষ্ঠান আজও দেশের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং ছিলেন চট্টগ্রামের আপামর জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। তাঁর কর্মমুখী জীবন, দেশপ্রেম ও জনসেবার মানসিকতা আজও আমাদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে রয়েছে।
রাউজান তথা সমগ্র চট্টগ্রামবাসীর গর্ব, গণমানুষের প্রিয় এই জননেতার জন্মবার্ষিকীতে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।
মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা—চট্টলার এই সিংহপুরুষ, আমাদের প্রিয় নেতা মরহুম আলহাজ্ব এ. কে. এম. ফজলুল কাদের চৌধুরীকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।
শ্রদ্ধায়—
কাজী সরোয়ার খান মনজু
সাবেক দপ্তর সম্পাদক
জাসাস, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা।
চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ৯৮ ব্যাচের ঈদ পূনর্মিলনী ও ২৮ তম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান সম্পন্ন
বাবর মুনাফ : চট্টগ্রামের পটিয়া হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের চরকানাই বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ ৯৮ ব্যাচের ঈদ পূনর্মিলনী ও ২৮...







Discussion about this post