(আইন,আদালত)
======মতামত
জবানবন্ধী-
দর্পোদ্ধত স্বভাবের নিকট মৃত্যুকালীন জবানবন্ধী,আইন হার মানে।
আইনের ছাত্র হয়ে জেনেছি,মৃত্যুকালীন জবানবন্দীতে [ Cross Examination ] করার সুযোগ থাকে না যার ফলে জবানবন্দীর বিশ্বাসযোগ্যতা,প্রাসঙ্গিক পরিস্থিতি বিচার করে আদালত যদি মনে করেন তখন অপরাধী কে দোষী সাব্যস্ত করতে পারেন।
১৮৭২ সালে প্রনীত সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা মতে, কোন ব্যক্তি যখন মৃত্যুর সম্মুখীন হয়,যে ঘটনার ফলে তার মৃত্যু হচ্ছে সে বিষয়ে মৃত্যুপথযাত্রী যে জবানবন্দী দেয় তাকে মৃত্যুকালীন জবানবন্দি বলে । ( পিআরবি ২৬৬ বিধি)।আইনে মৃত্যুকালীন জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার যে পদ্ধতি রয়েছে তা প্রয়োগ না করে একটি চিরকুট লিখে গেলে বা কথোপকথন সংরক্ষণ করলে ও তার উপর নির্ভর করে কখনও কোন আসামীর শাস্তি হয়না।
মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে সত্যিকারের আসামি তখন দ্রুত খালাস পায়,তবে আমাদের এই ঘুণে ধরা সমাজ ব্যবস্থায় আমরা যাদেরকে সমাজের বিবেক,দর্পন মনে করি,ও যাদের কথা শুনার জন্য সাধারন মানুষ রাত জেগে তাদের কথা শুনে, ও তাদেরকে
আদর্শ মনে করে তারাই যখন তাদের সামান্য স্বার্থের জন্য দর্পোদ্বত স্বভাবের মানুষের পা চাটে আর ঐ সমাজ ব্যবস্হায় তখনই সব কিছু দর্পোদ্বত মানুষের নিকট এমনকি আইন,প্রশাসন দেশীয় সব বিচার ব্যবস্থা সব সময় হার মানে,মানতে থাকে । যেমন-গরীবের বউ যখন তখন হয় সকলের প্রিয় ভাবী।দেখা গেছে,যত আইন ও তার প্রয়োগ যেন সব গরীবের উপর।বিচারের ক্ষেত্রে দেখা গেছে বিনা বিচারে,মিথ্যে মামলা বছরের পর বছর জেল খাটে নিরীহ গরীব।
অন্যদিকে এই সব কারনে বা মিথ্যে প্রলোভনে এই দেশীয় সুন্দর ষোড়শীরা অকালে ঝরে যায়,তারা অর্থ বিত্তকে বড় করে দেখে সব কিছু কে রঙ্গিন ভাবে,তাদের মৃত্যুতে সবাই যেন ক্ষণিক সময়ে জ্বলে উঠে,কয়েক দিনের মধ্যে দ্রুত তা মোমবাতির মত আবার নিভে যায়।
তাই আগামীতে,আগামীর বাদীপক্ষ ও সুন্দর তরুণীদের মিথ্যে প্রলোভন থেকে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে,থাকা উচিত।সচেতনা একটি সুন্দর সমাজ গঠন করতে পারে।
লেখক-কবি,প্রাবন্ধিক ও গণমাধ্যমকর্মী।







Discussion about this post