হত দরিদ্র ও এতিমদের মধ্যে গ্রীণলিফ পরিবারের কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণ
নিউজ ডেক্স, কলম টিভিঃ ২৩ শে ডিসেম্বর শুক্রবার রাত ৮ টায় আনসার ক্লাব (২তলা) জেল রোড কোতয়ালী চট্টগ্রামস্থ “অপরাজেয় বাংলাদেশ” এর কার্যালয়ে ও রাত ১১ টায় গ্রীণলিফ পরিবারের পক্ষ হতে চট্টগ্রামস্থ বিভিন্ন জায়গা দরিদ্র, অসহায় ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কয়েক শত কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
এতে অতিথি হিসাবে উপস্হিত ছিলেন
গ্রীণলিফ উপদেষ্টা কবি ও মানবাধিকারকর্মী মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। গ্রীণলিফ ম্যাগাজিন সম্পাদক তাসলিম হাসান হৃদয়, নির্বাহী সম্পাদক মোহাম্মদ সায়েদুল ইসলাম।
এতে আরো উপস্থিত ছিলেন ক্যাপ্টেন ফারুক চৌধুরী, কন্ঠশিল্পী নুর হোসেন রুবেল, সহ- সম্পাদক নাছরিন সুলতানা তমা, মাহবুবা জাহান বাঁধন, মোহাম্মদ কামাল ইকবাল জমিদার, সেইফ একাডেমির পরিচালক সাজু সিরাজ, কবি আলমগীর হোসাইন মাইম, সাইফুল ইসলাম সহ প্রমুখ।
মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন, শিশু মানে ভালোবাসা আদর,মমতা। কেউ যখন শিশুদের পথশিশু, টোকাই, রাস্তার ছেলে বলে তখন আমার খুব কষ্ট লাগে। আমাদের দেশে পথশিশুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে এর মূলে রয়েছে আমাদের অজ্ঞতা, দারিদ্রতা শিক্ষা ও সচেতনতার অভাব। এক শ্রেণির অশিক্ষিত, দরিদ্র মানুষ অপরিকল্পিতভাবে সন্তানের জন্ম দিয়ে থাকে এবং একটা নির্দিষ্ট সময় পর তাদেরকে পরিত্যাগ করে এভাবেই বাড়তে থাকে দেশে অবহেলিত পথশিশুর সংখ্যা। আজকে এখানে এসে জানলাম এই সব শিশু তাদের মা কে, বাবা কে, তা তারা জানে না।তাদের কে রাস্তা থেকে পুলিশ তুলে শিশু শ্রম হ্রাস করণ প্রকল্প “অপরাজেয় বাংলাদেশ”রেখে গেছে এখন এটি তাদের আশ্রয়স্হল।
তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে মানবতাবোধ এবং মনুষ্যত্ব দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে এবং এই সব পথ শিশুর সংখ্যা ও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে,এখন ছোট ছোট বাচ্চারা রাস্তায় পত্রিকা বিক্রি করে, ফুল বিক্রি করে তাদের কথা কে ভাববে -বাস্তবে ওদের কেউ নেই। যে বয়সে তাদের হাতে থাকা উচিৎ ছিল বই-খাতা সে বয়সে তাদের হাতে থাকে প্লাস্টিকের বস্তা। রাস্তায় রাস্তায় তারা প্লাস্টিক খুঁজে, কি নির্মম বেদনাময় দৃশ্য।প্রতিবারের মত এই শীতে ও গ্রীনলিফ পরিবার কর্তৃক শীত বস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করায় সংগঠনের সকলকে তিনি ধন্যবাদ জানান।
গ্রীণলিফ সম্পাদক তাসলিম হাসান হৃদয় বলেন,সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, পথশিশুদের ৫১ ভাগ ‘অশ্লীল কথার শিকার’ হয় এবং শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয় ২০ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি যৌন হয়রানির শিকার হয় মেয়েশিশু। ১৪ দশমিক ৫শতাংশ পথশিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।আর মেয়ে পথশিশুদের মধ্যে ৪৬ ভাগ যৌন নির্যাতনের শিকার। বিভিন্ন বিদেশী সংস্থা যেমন ইউরোপিয়েন ইউনিয়ন কর্তৃক বিশেষ অর্থায়নে এই “অপরাজেয় বাংলাদেশ” পরিচালিত হয়। “অপরাজেয় বাংলাদেশ “সংগঠনের পথশিশুদের মধ্যে, চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গা কম্বল বিতরণ কার্যক্রমে সংগঠনের সকলকে সহযোগিতা করার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান।







Discussion about this post