• প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
    • গান
    • কবিতা
    • গল্প সাহিত্য
  • আন্তর্জাতিক খবর
  • অর্থনীতি
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • কলম একাডেমী লন্ডন
Wednesday, June 17, 2026
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
    • গান
    • কবিতা
    • গল্প সাহিত্য
  • আন্তর্জাতিক খবর
  • অর্থনীতি
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • কলম একাডেমী লন্ডন
No Result
View All Result
QALAM BD NEWS | কলম বিডি নিউজ
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
    • গান
    • কবিতা
    • গল্প সাহিত্য
  • আন্তর্জাতিক খবর
  • অর্থনীতি
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • কলম একাডেমী লন্ডন
No Result
View All Result
QALAM BD NEWS | কলম বিডি নিউজ
No Result
View All Result
Home বিশেষ প্রতিবেদন

পাহাড়ি-উপজাতি আদিবাসী নয়, বাঙ্গালী- বাংলাদেশী পরিচয়ে তাদের দেশ গঠনে ভুমিকা রাখতে হবে

by QALAM BD NEWS
September 29, 2024
in বিশেষ প্রতিবেদন
0
৫ ই মার্চ কামরুল ইসলামের জম্মদিন
নিউজটি শেয়ার করুন।
  
     

🇧🇩 বাংলাদেশের পাবর্ত্য অঞ্চল বান্দরবন,খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি বর্তমানে বসবাসরত ঐ অঞ্চলের পাহাড়িরা তারা পার্বত্য অঞ্চলের আদিবাসী নয়,কখনও ছিল না, পাহাড় ও তাদের নয়।ঐ সব অঞ্চলের আদিবাসী হচ্ছে মুলত বাঙ্গালী – বর্তমান বাংলাদেশী। আদি বাসী বলতে আমরা সহজে বুঝি আদি-বাসিন্দা। সংখ্যা কম হলে ও মুলত অতি প্রাচীন কাল হতে কোন অঞ্চলে কোন জন গোষ্ঠী যদি যুগের পর যুগ বসবাস করে তখন তাকে আদিবাসী বলা হয়। জানা যায়, এ ভূখন্ডে বাঙ্গালিরাই মুল আদিবাসী।
বাঙ্গালী – বাংলাদেশীদের আদিবাসী বলা ঠিক নয়।পাহাড়িরা যখন নিজদের আদিবাসী দাবী করে তখন যুক্তির খাতিরে বাঙ্গালী-বাংলাদেশীদের আদিবাসী বলে তাদের খাটো করা হয় তারা এই ভুখন্ডের মালিক ও অধিবাসী।
এর পর এই ভূখন্ডে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নৃ-তাত্ত্বিক জন গোষ্ঠীরা এসে বসবাস শুরু করে তারা এই দেশের আদি বাসী ছিল না।প্রখ্যাত নৃতত্ত্ববিদ মর্গান মনে করেন,আদি বাসী তারা যারা কোনো স্থানে স্মরণাতীতকাল থেকে বসবাস করে।পাহাড়ে বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীরা মুলত এই দেশের আশে পাশের বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন সময়ে এসে বসবাস শুরু করে।এ দেশে তাদের আগমন কয়েক শত বছরের ও বেশি নয়।
তাদের কে উপজাতি না বলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বলা যেতে পারে।বাঙ্গালী – বাংলাদেশী ছাড়া বাংলাদেশের পাবর্ত্য অঞ্চলে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা সহ অন্যান্যরা সকলে উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী তারা আদিবাসী নই।গবেষণায় দেখা গেছে,বাংলাদেশ এই ভূখন্ডে তাদের আগমনের ইতিহাস প্রায় ৩০০ বছর । আমরা জানি বাংলা সভ্যতার ইতিহাস দেড় হাজার বছরের পুরাতন।

আদিবাসী একটি সামাজিক গোষ্ঠী যারা একটিসাধারণ সংস্কৃতি ভাষা এবং ইতিহাস ভাগ করে।আদিবাসীদের নিজস্ব ঐতিহ্যগত রীতিনীতি, বিশ্বাস এবং জীবন যাপনের ও উপায় থাকে।তারা হয় সহজ,সরল।
তারা দিনে এনে দিনে খায় । রোজ কিছু শিকার করে আনার পর সবাই মিলে মিশে খায় আর রাতে মদ্য পান করে নাচ গান করে তারা ঘুমিয়ে পড়ে তারা প্রায় কেউই লেখাপড়া করতো না আর তাদের মধ্যে কখনও বাক্- বিতন্ডা দেখা দিলে তাদের সকলের নির্ধারিত মোড়ল বিচার করতো,সবাই মোড়লের কথা তখন মেনে নিতো।
অন্যদিকে “উপজাতি ” বৈশিষ্ট্যযুক্ত কিছু বর্ণনা করতে ব্যবহৃত হয়। একটি দেশের মধ্যে তাদের মুল জনগোষ্টী থেকে সামাজিক, অর্থনৈতিক,সাংস্কৃতিকভাবে ভিন্নতর যারা তাদের ঐতিহ্য,কৃষ্টি দ্বারা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে পরিচালিত হয় তাদেরকে উপজাতি বলা হয়।
অন্যদিকে তাদের নিজস্ব উপভাষা থাকে যা নির্দিষ্ট অঞ্চলে বা সমাজের নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যবহৃত হয়।অন্যদিকে সংখ্যা কম হলেও যারা একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ব্যবহার ‌ করে শত হাজার বছর পুরুষানুক্রমে বসবাস করে,তারা হচ্ছে সেখানকার অধিবাসী।
মুঘল সাম্রাজ্যের উত্থানের আগে তেমন কোনো বাঙালি পার্বত্য চট্টগ্রামে ছিল না তা ঠিক নয়,ছিল সংখ্যা খুবই কম।বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও CHT-তে বাঙালি সেটেলমেন্টের আগে, বাঙালির সংখ্যা তখন ও তা ছিল কম। রাস্তাঘাট,সুযোগ সুবিধা অবকাঠামোগত উন্নয়নে পিছিয়ে থাকা বাঙ্গালি- বাংলাদেশীর সংখ্যা কম ছিল।

উপজাতি অনেকের মতে,হানিকর শব্দ। সরকারী ভাবে পাবর্ত্য অঞ্চলে বসবাসকারীদের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসাবে চিহৃিত করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বা গুলোকে সেই অঞ্চলের অধিবাসী হিসাবে মনে করে তাদের উন্নয়নে বিভিন্ন সময়ে নানা পদক্ষেপ গ্রহন করে।
মুলত উপজাতি শব্দটির বাংলা পরিভাষা করলে যা হয় তা হচ্ছে অনগ্রসর পিছিয়ে থাকা সম্প্রদায় গুলি যাদের জীবনাচার,সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস মুল ভুখন্ডের মানুষের চেয়ে বিচিত্র। সেদিক থেকে আভিধানিক অর্থ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়,কোনো জাতির মূলজাতিগোষ্ঠী থেকে থেকে পৃথক হওয়ার অংশই হল উপজাতি।

পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ভিন্নভিন্ন ভাষাভাষী যারা বর্তমানে নিজদেরকে আদিবাসী দাবি করে তাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে চাকমা জনগোষ্ঠী। বাঙ্গালী- বাংলাদেশী ছাড়া মুলত তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলাতেই চাকমাদের বসবাস রয়েছে।চাকমারা বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী উপজাতীয় ক্ষুদ্র নৃ-জনগোষ্ঠী। রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সবচেয়ে অধিক চাকমা বসবাস করে। চাকমারা বাইরে থেকে এসে তাদের বর্তমান আবাসভূমিতে বসতি স্থাপন করে। সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য তাত্ত্বিক অভিমত অনুযায়ী, চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমারের আরাকান এলাকার অধিবাসী।
আদিবাসী এথনোগ্রাফিয় গবেষণায় প্রমানিত,অতীতে চাকমারা চম্পক নগর নামে একটি রাজ্যে বাস করত।
চম্পক নগর ত্রিপুরা রাজ্যের কাছাকাছি কোন জায়গায় অবস্থিত ছিল এই ব্যাপারে নানা সাক্ষ্যও পাওয়া যায়।অশোক কুমার দেওয়ানের মতে, উত্তর ত্রিপুরার কোন স্থানে বসবাসকারী চাকমারা সেখানে আনুমানিক ২০০- থেকে ২৫০ বছর কাল অতিবাহিত করার পর পঞ্চদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে উত্তর ত্রিপুরা থেকে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ পূর্বদিকে সরে আসতে থাকে এবং পঞ্চদশ শতকের শেষ দিকেই পার্বত্য চট্টগ্রামের কর্ণফুলী এবং তার উপ– নদীসমূহের উপত্যকা ভূমিতে তারা ছড়িয়ে পড়ে ধীরে ধীরে বসতি গড়ে তোলে।
এ হিসাব অনুযায়ী পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমাদের আগমন কয়েক শত বছরের বেশি নয়।
জানা যায়, ত্রিপুরারা মুলত ভারতের ত্রিপুরার পার্বত্য এলাকার অধিবাসী ছিল।পরবর্তীতে তারা নিজ এলাকা ছেড়ে বাংলাদেশের কুমিল্লা – চৌদ্দগ্রাম, সিলেট এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ধীরেধীরে বসতি স্থাপন করে। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ছাড়াও ভারতের মিজোরামে অনেক ত্রিপুরা এখনো বসাবস করে।
এই ছাড়া ও বাংলাদেশের পাশ্চবর্তী দেশ মিয়ানমারে ত্রিপুরাদের জনবসতি রয়েছে।গবেষণায় আজ প্রমানিত আনুমানিক ৬৫ খ্রিস্টাব্দে সুই বংশের সময়কালে তারা পশ্চিম চীনের ইয়াংসি ও হোয়াংহো নদীর উপত্যাকা বাস করতেন আর সেটি ছিল তাদের প্রাচীন আবাসস্থল
পরবর্তীতে এই জনগোষ্ঠী ভারতের আসাম,ত্রিপুরা হয়ে বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে তারা বর্তমান বসতি গড়ে তোলে।এই ছাড়া ও বাংলাদেশে গারো, হাজং, সাঁওতাল ওরাঁও, রাজবংশী, মনিপুরী,খাসিয়া জনগোষ্ঠী রয়েছে।

এরা কখনও এই দেশের আদিবাসী নয়,ছিল না তারা হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মুলত তারা পাহাড়ি বা উপজাতি।চীন, ভারত, মায়ানমা হতে একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে তারা বাংলাদেশে এসেছে।গবেষণায় আরও বলা হয়েছে তাদের কোনোটিই বাংলাদেশের আদিবাসিন্দা বা আদি বাসী’ নয়। সরকার এসব জনগোষ্ঠীকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী তাদের জীবন মান উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ সহ কোঠা সু্বিধা দেয়া হয়েছে।বর্তমানে ও তাহা চলমান।
অন্যদিকে ‘ মারমা ” বার্মিজ শব্দ ‘মায়ানমা’ থেকে নেয়া হয়েছে যার অর্থ দাড়ায় তারা মুলত বার্মার অধিবাসী।এদের পূর্ব পুরুষগণ বার্মার পেগু নগরে বাস করতেন। জানা যায়,আরাকান রাজার সেনাবাহিনীর অধিনায়ক মহাপিন্নাগি ১৫৯৯ সালে বার্মায় একটি আগ্রাসন পরিচালনা করেন তখন তারা আমাদের এই ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে আরাকানের রাজা শ্রী সুধাম্মার(শ্রীসুধর্ম )মৃত্যুর পর তার এক অমাত্য নরপতি আরাকান সিংহাসন দখল করে এবং রাজপরিবারের সদস্য ও পণ্ডিতদেরকে মৃতুদণ্ড দিতে থাকলে অনেকে ই দেশ ছেড়ে পালাতে থাকে। দেশের রাজনৈতিক দুর্যোগ সময় রাজার পুত্র নাগাথোয়াইখিন নরাজপরিবারের সদস্যবর্গ ও পণ্ডিতদের নিয়ে রাজধানী ছেড়ে পালিয়ে যান।
এই সময় তিনি চট্টগ্রামের কাইসাঁ বা কর্ণফুলী নামক জায়গায় আশ্রয় নেন। কাইসাঁ বা কর্ণফুলী নদীর তীরে তারা বসবাস করতে থাকেন তখন নাগাথোয়াইখিন কাইঁসা অঞ্চলের শাসক হিসেবে বা ম্রাইমাগ্রি মাঙঃ,ম্রাই মাগ্রিদের রাজা হিসেবে পরিচিতি পান।
আরাকানের নতুন রাজা নাগাথোয়াইখিন এর অবস্থান জানার পর শত্রুতার পথে না গিয়ে তখন তাকে কাইসাঁ অঞ্চলের শাসক হিসেবে স্বীকিৃতি দেন। ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা থেকে আরাকানি শাসনের পতন হলে মোগল শাসণাধীনে মারমাদের পেলেংসা: গোত্র মোগলদের কর প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের আবাসভূমি গড়ে তুলেছিল।
১৭৮২ সালের দিকে তারা পেলেংসা: রাজবংশের পূর্ব সূরী ম্রাচাই ধাবইং এর নেতৃত্বে সীতাকুন্ড এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
বান্দরবনের সাবেক মং রাজা অংশে প্রু চৌধুরী এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন ,‘আমরা কেউ এই অঞ্চলে আদিবাসী নই’।
এদেশে মারমা বসতি প্রায় ২০০ বছরের। কাজেই তারা সহ অন্যান্যরা কখনও এইদেশের আদিবাসী নয়,ছিল না। মুলত তারা সবাই কোন না কোন ভাবে মায়ানমা ভারত,চীন থেকে এসেছে তাই তারা কখনো আদিবাসী নয়।বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে উপজাতিদের বসতি স্থাপনের বহু পূর্ব থেকে সংখ্যা কম হলে বাাঙ্গালী জনগোষ্ঠী ছিল। ১৯৯৩ সালের জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা রচিত ‘ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে পার্বত্য স্থানীয় সরকার পরিষদ’ বইয়েও তারা তাদের কে ‘উপজাতি’ হিসাবে চিহৃিত করেছে। সম্প্রতি আদিবাসী শব্দটি ব্যবহার না করতে সরকারি ভাবে জানান দেওয়া হয়েছে। এদেরকে উপজাতি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বলেই অভিহিত করা হয়।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পার্বত্য অঞ্চলের আদি বাসীরা ‘বাঙালি’ পরিচয় গ্রহণ করবে পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি- উপজাতি নেতৃবৃন্দ কে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বলেছিলেন। পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও রাষ্ট্রপতি এরশাদের শাসনামলে ১৯৭৯থেকে১৯৮৪ সালের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়েক লাখ সেটেলারদের আবাসন স্থাপন করানো হয় এবং স্থাপন করা হয় কয়েকশত সেনা ক্যাম্প।
বর্তমানে অবকাঠামোগত উন্নয়নও সরকার কর্তৃক নানা সুযোগ সুবিদার কারনে বাংলাদেশের অনেকে জায়গা জমি কিনে সেখানে বসতি গড়ে তুলেছে। শত বছর আগেও বাঙ্গালী – বাংলাদেশিরা ঐসব অঞ্চলে বাস করতো তবে সংখ্যায় খুবই কম ছিল তার অর্থ এই নয় যে, চাকমা, মারমা ত্রিপুরা সহ যারা আজ দাবি করছে তারা এসব অঞ্চলের আদিবাসী তা ঠিক নয় তারা মুলত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
তাদের মধ্যে অনেকে অহেতুক,অবান্তর যুক্তি দেখিয়ে বলছে তারা আদিবাসী,পাহাড় তাদের, তাদের কে দিতে হবে। একটি স্বাধীন দেশে বসবাস করে তারা দীর্ঘদিন সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে । নানা অজুহাতে তারা দেশকে অস্থির করার চেষ্টা করছে।তাদের এই সব কর্মকান্ডে পাশ্চবর্তী দেশের চক্রান্ত থাকতে পারে বলে বহু রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছেন। তাদেরকে বাঙ্গালী – বাংলাদেশী পরিচয়ে এই দেশের সুনাগরিক হয়ে দেশ গঠনে ভুমিকা রাখতে হবে । প্রযোজনে তাদের দমনে সেনা ক্যাম্প সহ নানা পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।
এক কথায় তাদের নানান অপপ্রচার রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকান্ড হতে বিরত রেখে তাদের কে প্রতিহত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
স্বাধীন দেশের নাগরিকদের মত সব সুবিধা ভোগ করে এই স্বাধীন রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করবে এটা এই দেশের জনগন আশা করে না।অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার,নানা ধরনের নাশকতা নষ্ট করে দিয়ে তাদেরকে আইনের আওতায়
আনা জরুরী নতুবাতারা আগামীতে এদেশের স্বাধীনতা সার্ভোমত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
বাঙ্গালী ও বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে সকল ষড়যন্ত্র পরিহার করে তারা দেশ গঠনে ভুমিকা রাখবে এটি এই জাতির প্রত্যাশা।

মোঃ কামরুল ইসলাম।
লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী

Next Post
মোরেলগঞ্জে বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

মোরেলগঞ্জে বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত

Discussion about this post

কলম একাডেমী লন্ডন

পশ্চিম গুজরায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ

পশ্চিম গুজরায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ

by QALAM BD NEWS
May 25, 2026
0

রাউজান প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ভিজিএফের চাল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত...

রাউজানে উপজেলা সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত  ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাট-বাজার ও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা

রাউজানে উপজেলা সমন্বয় ও আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পশুর হাট-বাজার ও সার্বিক নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা

by QALAM BD NEWS
May 25, 2026
0

রাউজান প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের রাউজানে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে মাসিক সমন্বয় সভা ও উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আসন্ন...

রাউজানে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে”

রাউজানে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত “মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে”

by QALAM BD NEWS
May 22, 2026
0

নিউজ ডেস্ক : চট্টগ্রামের রাউজানে মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, মাদক...

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন

by QALAM BD NEWS
May 21, 2026
0

ইউএই প্রতিনিধি :সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন “প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি (প্রসাস)”-এর ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা...

অফিসের ঠিকানা

লন্ডন অফিস:
13 Stanbridge place, London N21 3LX United Kingdom

চট্টগ্রাম অফিস:
৭ জিএ ভবন (৪র্থ তলা), আন্দরকিল্লা, কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম।

সম্পাদক

প্রধান সম্পাদক : নজরুল ইসলাম হাবিবী
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: কুতুব উদ্দীন

সহযোগী সম্পাদক : ফারদিন রাফি

জরুরী যোগাযোগ

ফোন:
01312614352
ইমেইল:
[email protected]
[email protected]

সংবাদ বিভাগ

  • অর্থনীতি (6)
  • আন্তর্জাতিক খবর (111)
  • কবিতা (23)
  • কলম একাডেমী লন্ডন (94)
  • খুলনা (16)
  • খেলাধূলা (5)
  • গল্প সাহিত্য (19)
  • গান (1)
  • চট্টগ্রাম (892)
  • জাতীয় (104)
  • ঢাকা (19)
  • ধর্ম (122)
  • প্রফেসর নজরুল ইসলাম হাবিবী’র রচনা (148)
  • বরিশাল (1)
  • বাংলাদেশ (126)
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (2)
  • বিনোদন (28)
  • বিশেষ প্রতিবেদন (49)
  • রাজনীতি (26)
  • রাজশাহী (2)
  • সংমিশ্রন (114)
  • সারাহ হাবিব ট্রাস্ট লন্ডন (7)
  • সিলেট (8)
  • স্বাস্থ্য (6)

© 2020 Qalam Tv  By Fardin

  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • বাংলাদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
  • আন্তর্জাতিক খবর
  • অর্থনীতি
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • কলম একাডেমী লন্ডন
No Result
View All Result
  • প্রথম পাতা
  • জাতীয়
  • বাংলাদেশ
    • ঢাকা
    • চট্টগ্রাম
    • রাজশাহী
    • খুলনা
    • বরিশাল
    • সিলেট
    • ময়মনসিংহ
  • রাজনীতি
  • খেলাধূলা
  • বিনোদন
    • গান
    • কবিতা
    • গল্প সাহিত্য
  • আন্তর্জাতিক খবর
  • অর্থনীতি
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • কলম একাডেমী লন্ডন

© 2020 Qalam Tv  By Fardin