নিউজ ডেস্ক :
মানবজাতির জন্য সুমহান আর্দশের শাশ্বত প্রতীক হলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সমগ্র মানবজাতিকে হেদায়তের জন্য যিনি ধরার বুকে প্রেরিত হয়েছেন। আল্লাহর মনোনীত একমাত্র দ্বীন ইসলামকে ধরার বুকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। প্রিয় রাসূল (দ.) এর পর আর কোন নবী-রাসূল পৃথিবীতে আগমন করবেন না। মানুষকে হেদায়তের জন্য যুগে যুগে নবীর ওয়ারিছ হিসেবে আউলিয়ায়ে কেরামগণ পৃথিবীতে এই মহান দায়িত্ব পালন করবেন। প্রিয় রাসূল (দ.) এর পূর্ণ অনুসরণ-অনুকরণ করে নিজের জীবন পরিচালিত করার বেনজির দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আন্হু। নবীজির সুন্নাতকে নিজের জীবনে বাস্তবায়িত করেছেন। সিনা-ব-সিনা তাওয়াজ্জুহ ও ফয়েজে কুরআন এর নূর প্রদানের মাধ্যমে মানুষের অন্ধকার ক্বলবকে আলোকিত করে হেদায়াতের পথে পরিচালিত করেছেন। পাপাচারে নিমজ্জিত যুব সমাজকে নবীজির আদর্শে জীবন গঠন করার প্রেরণা দিয়েছেন, হুব্বে মোস্তফার শিক্ষা দিয়েছেন। নফসানিয়তকে (পশুত্ব) অবদমিত করে ইনসানিয়ত (মনুষ্যত্ব) প্রতিষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা রয়েছে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফে। প্রিয় রাসূল (দ.) এর পথে এবং মতে খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত গাউছুল আজম (রা.) নিজে যেমন সমস্ত জীবন অটল এবং অবিচল ছিলেন স্বীয় অনুসারীদেরকেও তার শিক্ষা দিয়েছেন। প্রিয় নবীজির বাতেনি নূর, কুরআনের নূর মানুষের অন্তরে অন্তরে বিতরণ করে অন্ধকারে নিমজ্জিত মানুষকে আলোকিত মানুষে পরিণত করেছেন। এভাবে পথহারা মানুষদের হেদায়াতের পথে পরিচালিত করে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কিংবদন্তির ভূমিকা পালন করেছেন। ফলশ্রুতিতে শত বাধা বিপত্তি আসলেও খলিফায়ে রাসূল হযরত গাউছুল আজম (রা.) এর এখলাসের সাদকায় এই তরিক্বত স্বীয় মহিমায় সর্বদা অম্লান। মাশাআল্লাহ।
শুক্রবার (০৪ অক্টোবর ) বাদে আসর হতে চট্টগ্রাম রাউজান জলিল নগর বাস স্ট্যান্ডে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ, উত্তর রাউজান ১নং শাখার উদ্যোগে পবিত্র জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন ও খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর স্মরণে আয়োজিত এশায়াত মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসলিম মিল্লাতের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মাননীয় মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব এসব কথা বলেন।
এ মাহফিলে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দীন নূরী, মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল।
মিলাদ কিয়াম শেষে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।







Discussion about this post