নিউজ ডেস্ক : মহান আল্লাহ যাকে হেদায়তের নিয়ামত দান করেন ইসলামের জন্য তাদের হৃদয়কে প্রশস্ত করে দেন। প্রিয় রাসূল (দ.) এর নূর ক্বলবে নিলে হৃদয় প্রশস্ত হয়। নবীজির নূরে বাতেন খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত গাউছুল আজম (রা.) মানুষের ক্বলবে দান করে মানুষের হৃদয় প্রশস্ত করার অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং সেই নিয়ামত যুগে-যুগে সকলে গ্রহণ করার ব্যবস্থা করে গিয়েছেন। ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় যারাই এই মহান কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন তারাই বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির মুখোমুখি হয়েছেন, অতঃপর মহান আল্লাহর দয়ায় এবং প্রিয় নবীজির ওসিলায় মহাবিজয় তাদেরই হয়। খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত গাউছুল আজম (রা.) এর চোখের জলে গড়া এই মহান তরিক্বতকেও বাধা-বিপত্তির মধ্য দিয়ে যেমন যেতে হয়েছে তেমনি বিজয়ও আল্লাহর পক্ষ থেকে দান করা হয়েছে। কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের তরিক্বতে রয়েছে ফয়েজে কুরআন তথা কুরআনের নূর, তাওয়াজ্জুহর মাধ্যমে নবীজির নূর বিতরণ, মোরাকাবা, দৈনিক এগারো শত এগারোবার দরূদ শরীফ; কখনো ক্বাজা হলে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে আদায় করার নিয়ম, জিকিরে জলী ও জিকিরে খফির ব্যবস্থা। এই মহান তরিক্বত কবুলিয়তের বহু প্রমাণ খোদায়িভাবে বৃক্ষ তরুলতায় অঙ্কিত হয়েছে। মহান আল্লাহ ও নবীজির পথে চলে পাথেয় সংগ্রহ করার ঐশী নিয়ামত হযরত গাউছুল আজম (রা.) এর তরিক্বত।
গতকাল (১১ এপ্রিল) শুক্রবার বাদে আছর হতে চট্টগ্রাম রাউজান উপজেলার রমজান আলী চৌধুরী হাটে মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ ২নং মোহাম্মদপুর শাখার ব্যবস্থাপনায় কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্মরণে আয়োজিত এশায়াত মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসলিম মিল্লাতের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ এর মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এশায়াত মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মুফতি মাওলানা কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সালাম, মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল ও মাওলানা মুহাম্মদ সায়েম।
মিলাদ কিয়াম শেষে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।







Discussion about this post