বিশেষ প্রতিনিধি : গভর্নর ডঃ আহসান মনসুর বলেছেন যদি কোনো ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাপোর্ট দেওয়ার পরও না দাঁড়াতে পারে তাহলে অবশ্যই ডিপোজিটরের স্বার্থ দেখতে হবে।এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন আগেও বলেছি, এখনও বলছি কোনো ডিপোজিটর তার ডিপোজিট হারাবে না। কোনো ডিপোজিটরই কোনো ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়ার কোনো কারণ নেই।
আপনারা থাকুন যেখানে আছেন সেখানেই। আপনাদের দেখার দায়িত্ব সরকারের।
(১১ এপ্রিল) শুক্রবার বিকেলে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং সমসাময়িক ব্যংকিং বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন। দেশের সব ব্যাংকের অর্থপাচার রোধে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় অংশ নিতে আসেন গভর্নর।
গভর্নর বলেন, ব্যাংকে অতীতে অনিয়ম অনেক রকম হয়েছে। অবাক হওয়ার কিছু নাই।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ বিশালভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এখানে ডিপোজিট গ্রোথ খুব ভালো। নতুন যে পর্ষদ দেওয়া হয়েছে তারা কাজ করছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ তাদের বাড়া শুরু হয়েছে। আগে এক নম্বরে ছিল। সেটা তারা ধরে রাখতে পারেনি। এখন আবার আস্তে আস্তে ভালোর দিকে যাচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারলে, গ্রাহকদের কনফিডেন্স যদি থাকে কোনো চিন্তার বিষয় নেই।
তিনি বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আবারও বলতে চাই কতিপয় ব্যাংক খুব ভালোভাবেই দাঁড়িয়ে গেছে। তাদের ভিত্তি শক্তিশালী। তাদের কোনো অসুবিধা ভবিষ্যতে আমি দেখছি না। তাদের মনিটরিং করছি। প্রতিমাসে তাদের সঙ্গে বসছি।
ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, যদি কারও বিরুদ্ধে সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকে আমরা সেটা অবশ্যই আমলে নেব। দুদক যদি বলে অমুক কর্মকর্তার হিসাবে ৫০০ কোটি টাকা আছে তাহলে আমি বলবো ধরো। অমূলক তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে চাকরিচ্যুত করা বা ওএসডি করে দেওয়ার পক্ষে আমি না। আমাকে কনক্রিট অ্যাভিডেন্স দিতে হবে। যদি সরকারি কর্তৃপক্ষ বলে, এই লোকটা এই ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িত ছিল এই তার প্রমাণ, আমরা তার বিরুদ্ধে মামলা দিচ্ছি, আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। যার বিরুদ্ধে মামলা আছে তাকে কোনো বোর্ডে রাখা যাবে না, যদি মামলা জিতে আসে তখন আবার বোর্ডে থাকতে পারে। এটাই আমাদের পলিসি।
চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করার সম্ভাব্যতা যাচাই করছেন জানিয়ে গভর্নর বলেন, বড় পরিসরে আন্তর্জাতিক মানের ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র করতে চাই আমরা। যেখানে প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী সবার আবাসনের ব্যবস্থা থাকবে।







Discussion about this post