কোন মানুষ এতিমদেরকে যখন নিজেদের খাবারের আয়োজনে বসায় ও তারা যখন পরিতৃপ্ত হয়ে আহার করে, তাহলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।
— মোঃ কামরুল ইসলাম।
গতকাল ৩ এপ্রিল রোজ রবিবার পাহাড়তলী দারুস সালাম বালক- বালিকা মাদ্রাসায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণে পবিত্র মাহে রামাদানের প্রথম ইফতার মাদ্রাসার এতিম খানায় এতিম,অতিথি,আলেম ওলামার
দোয়া মাহফিলের মধ্যে দিয়ে সম্পন্ন হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন এশিয়ান মানবাধিকার মিশন চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি মোঃ কামরুল ইসলাম,এন প্লাস টিভির চেয়ারম্যাান শাহাদাত হোসেন রাজু,এন প্লাস টিভির উপদেষ্টা ও যুব নেতা মাঈনুল ইসলাম,এন প্লাস টিভির বার্তা সম্পাদক ফেরদৌস অপু, হাফেজ মাওলানা মোঃ শহীদুল্লা সহ প্রমুখ।
মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন,ইসলামের দৃষ্টিতে এতিমের প্রতিপালন,তাদের খোঁজ খবর নেয়া,তাদের প্রতি সদয় হওয়া জান্নাতে যাওয়ার উপায়। মোঃ কামরুল ইসলাম আরও বলেন,‘যে ব্যক্তি কোনো এতিমকে আপন মা-বাবার সঙ্গে নিজেদের (পারিবারিক)খাবারের আয়োজনে বসায় এবং তাকে এই পরিমাণ আহার্য দান করে যে সে পরিতৃপ্ত হয়ে আহার করে, তাহলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।’
(মুসনাদে আহমাদ : ১৮২৫২)। আল্লাহর রাসূল হযরত মোহাম্মদ (সা.) বলেন,”আমি ও এতিম প্রতিপালনকারী জান্নাতে এভাবে থাকব (তিনি তর্জনী ও মধ্য অঙ্গুলি দিয়ে ইঙ্গিত করেন এবং এ দুটির মধ্যে তিনি সামান্য ফাঁক করেন )।’ (বুখারি : ৫৩০৪)।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে হলে সত্য সমাজে অনেক সময় দেখা যায়,এতিমের প্রতি অবহেলা ও তুচ্ছতা প্রদর্শন করা হয়। বাবা না থাকায় স্বাভাবিক মানবিক স্নেহবাৎসল্য থেকেও অনেক ক্ষেত্রেই তারা বঞ্চিত হয়। তাদের প্রতি সমাজের বৃত্তবানদের সদয় ও যত্নবান হওয়া উচিত।
যুব নেতা মোঃ মাইনুল ইসলাম বলেন,মানুষ খাবার খাচ্ছে, কিন্তু এতিমরা সব সময় অবহেলিত।অন্যদের জন্য বস্ত্র আছে,সব উপকরন থাকে কিন্তু এতিমরা সর্বক্ষেত্রে উপেক্ষিত।তিনি সমাজের সকলকে এই বিষয়ে নজর দেওয়ার অনুরোধ করেন।পরিশেষে সুন্দর আয়োজনের জন্য এনপ্লাস টিভি কর্তৃপক্ষ,শাহাদাত হোসেন রাজুকে ধন্যবাদ জানানো হয়।







Discussion about this post