নিউজ ডেস্ক : কুরআন সুন্নাহর যথাযথ অনুশীলনে নিহিত রয়েছে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি। দ্বীনের প্রকৃত জ্ঞান আহরণ করা ও সে অনুযায়ী আমল করা প্রত্যেক মুসলিমের দায়িত্ব। উত্তর চট্টলার প্রাচীনতম দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাগতিয়া কামিল এম.এ. মাদরাসা। সৃষ্টিলগ্ন থেকে অদ্যাবধি এ মাদরাসা শিক্ষা বিস্তারে ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সোনালি স্মারক হিসেবে ইতিহাসে সমাদৃত। এ মাদরাসায় একদিকে যেমন কুরআন ও হাদিসের জ্ঞান বিতরণের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত অন্যদিকে সুযোগ রয়েছে তাসাউফের জ্ঞান আহরণের। এ মাদরাসা এমন এক কবুল হওয়া মাদরাসা এ মাদরাসায় খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আন্হু নিজে পড়েছেন, পড়িয়েছেন এবং মাদরাসার অধ্যক্ষের পদ অলংকৃত করেছেন। ফলশ্রম্নতিতে এ মাদরাসা অসাধারণ একাডেমিক পরিবেশের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের চরিত্র গঠনের ক্ষেত্রে অনবদ্য ভূমিকা পালন করছে। বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয়ের সুদক্ষ পরিচালনায় সে ধারা অব্যাহত রয়েছে। নিভৃত পল্লিতে গড়ে উঠা এ মাদরাসার খ্যাতি আজ দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের ঈর্ষণীয় সফলতা এ মাদরাসার ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে চলছে। রাউজানস্থ মূল ক্যাম্পাস এর পাশাপাশি বায়োজিদস্থ গাউছুল আজম সিটিতে মহানগর ক্যাম্পাসের কার্যক্রম সর্বমহলে প্রশংসিত। সুবিশাল একাডেমিক ভবন, সুনিবিড় ব্যবস্থাপনা, আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, সমৃদ্ধ শিক্ষক প্যানেল ও সহশিক্ষা কার্যক্রম উভয় ক্যাম্পাসের শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক জ্ঞান বিতরণের ক্ষেত্রে অসামান্য ভূমিকা পালন করছে । দেশ ও জাতির কাক্সিক্ষত মানবসম্পদ তৈরির ক্ষেত্রে এ মাদরাসার ভূমিকা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
গত (৭ ডিসেম্বর) শনিবার বেলা ০৩ টা হতে বায়েজিদ মহানগর ক্যাম্পাস সম্মুখস্থ ময়দানে অনুষ্ঠিত এশিয়াখ্যাত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাগতিয়া এশাতুল উলুম কামিল এম.এ মাদরাসার ৯০তম এনামী জলসায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জলসায় সভাপতিত্ব করেন চবি সিনেট ও সিন্ডিকেট সদস্য এবং কাগতিয়া মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল মনছুর।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জালাল আহমদ। বক্তব্য রাখেন মুফতি কাজী মোহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন নূরী, মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল।এনামী জলসায় মাদরাসার কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
মিলাদ—কিয়াম শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি—সমৃদ্ধি এবং কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মাননীয় মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন।







Discussion about this post