শতবর্ষী গাছগাছালি, ছোট-বড় পাহাড়-টিলায় পরিপূর্ণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সাজানো বন্দরনগরী’র সিআরবি। নগরবাসীর কাছে সিআরবি ‘ফুসফুস’ খ্যাত। এখানে আছে ব্রিটিশ আমলে তৈরি স্থাপনা, যার রয়েছে স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক মূল্য। প্রকৃতির অপরূপ সাজে সাজানো এ জায়গাটিতে হাসপাতাল বা অন্যান্য বাণিজ্যিক স্থাপনা হলে এখান থেকে বিতাড়িত ও বিলুপ্ত হবে প্রকৃতির সাথে মিশে থাকা বিভিন্ন প্রাণীকুল। কিন্তু এখানে বড়সড় একটি হাসপাতাল নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু করে সেই ‘ফুসফুস’ ধ্বংসের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এই প্রকৃতির সবুজ অরণ্যে যদি একবার বাণিজ্যিক আগ্রাসন শুরু হয় তাহলে সেটা আর আটকানো যাবে না। চট্টগ্রাম নগরীতে রেলওয়ের অনেক জমি পরিত্যক্ত ও বেদখল অবস্থায় পড়ে আছে। সেখানে নি¤œ ও মধ্যবিত্তদের জন্য হাসপাতাল নির্মাণ হোক এটা চট্টগ্রামবাসীর প্রত্যাশা। কিন্তু, এতো জায়গা থাকতে কেন ইতিহাস, ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক সিআরবিকে বেছে নেওয়া হলো তা সর্বস্তরের চট্টলবাসীর বোধগম্য নয়। সিআরবিতে শুধু হাসপাতালই নয়, কোনো ধরনের স্থাপনাই হওয়া উচিত হবে না। বুকভরে বাতাস নিতে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে সিআরবি এলাকার পাহাড়সহ নগরীর চারদিকে ঘিরে থাকা পাহাড়গুলোকে রক্ষা করতে হবে। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা চলমান সমস্যাটি দৃষ্টিগোচরে এসেছে। বীর চট্টলাবাসীর বিশ্বাস বঙ্গবন্ধু তনয়া এবিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত দিবেন এবং জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকা সিআরবি’র পুরাতন হাসপাতালটি আধুনিকায়নের মাধ্যমে সর্বসাধারণের জন্য সেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
মোরেলগঞ্জে ১৬ বছর ধরে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পুলিশ ফাঁড়ি, টিনের বেড়া দিয়ে চলে প্রাথমিকের পাঠদান
কলি আক্তার,মোরেলগঞ্জ বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি সাইক্লোন শেল্টার কাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েকটি কক্ষ জুড়ে টানা ১৬ বছর ধরে...







Discussion about this post