নিউজ ডেস্ক : যুগে যুগে মানবজাতি যতবার হেদায়তের পথ থেকে সরে গিয়েছিলো ততবার মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে পথপ্রদর্শক প্রেরিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যুগের প্রয়োজন অনুসারে ধরার বুকে প্রেরিত হয়েছেন খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত গাউছুল আজম (রা.)। যিনি পথহারা মানবজাতিকে প্রিয় নবীজির নূরে বাতেন দিয়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত মানব সভ্যতাকে হেদায়তের পথে নিয়ে এসেছেন। নফসানিয়্যত তথা পশুত্বকে বর্জনের শিক্ষা দেয়ার পাশাপাশি ইনসানিয়্যত তথা মনুষ্যত্ব অর্জনের পথ ও পাথেয় দেখিয়েছেন। কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনার জন্য যাবতীয় তালিম দিয়েছেন। ফয়েজে কুরআনের মাধ্যমে বিতরণ করেছেন নূরে কুরআন। ফলশ্রুতিতে হাক্বিকি কুরআনের অমিয় সুধা পান করে মানুষ কোরআনকে ধারণ করেছে জীবনে। এছাড়াও মোরাকাবার শিক্ষা দিয়েছেন যার অনুশীলনে অশান্ত জীবনে আসে প্রশান্তি, এভাবে জিকিরুল্লাহ, হক্কুল্লাহ ও হক্কুল ইবাদের সচেতনতা সৃষ্টি করেছেন মানুষের অন্তরে। এটি এমন এক যুগান্তকারী তরিক্বত যেখানে শরীয়তকে সম্পূর্ণরূপে পালন করা হয়। এই তরিক্বতের নিয়ামত গ্রহনের জন্য মহিলাদের পর্দা প্রথার লঙ্ঘন করে দরবার শরীফে আসতে হয়না, দরবার শরীফ থেকে কাউকে কোন মহিলার সামনে যেতে হয় না। এই মহান তরিক্বতের সুধা ঘরে বসে তরিক্বতের নির্দিষ্ট নিয়ম মোতাবেক গ্রহন করতে পারে, মাশাআল্লাহ।
গতকাল (১৮ এপ্রিল) শুক্রবার বাদে আছর হতে চট্টগ্রাম রাউজান উপজেলার পূর্ব গুজরায় মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ ৬নং বড় ঠাকুর পাড়া শাখার ব্যবস্থাপনায় শাখার সম্মুখস্থ ময়দানে কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্মরণে আয়োজিত এশায়াত মাহফিলে ধর্মপ্রাণ মুসলিম মিল্লাতের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় মোর্শেদ, আওলাদে রাসূল (দ.) হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ শায়খ ছৈয়্যদ মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী ছাহেব এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ এর মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এশায়াত মাহফিলে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুফতি কাজী মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম ছিদ্দিকী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জালাল আহমদ, মাওলানা মুহাম্মদ শফিউল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ রকিব উদ্দিন ও মাওলানা মুহাম্মদ সায়েম।
মিলাদ কিয়াম শেষে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি, ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মুসলমানদের শান্তি ও নিরাপত্তা এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিফায়ে রাসূল (দ.) হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।







Discussion about this post