কলম টিভি ডেক্সঃ
করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে কারখানায় প্রতিপালন হচ্ছে কিনা তা তদারকির জন্য জোনভিত্তিক বিজিএমইএ’র ক্রাইসিস মনিটরিং টীম কর্তৃক নিয়মিত পরিদর্শন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ আজ বুধবার ৪ আগষ্ট চট্টগ্রাম নগরীর সাগরিকা বিসিক শিল্প এলাকায় অবস্থিত তৈরী পোশাক কারখানা মেসার্স মিজাব লিঃ পরিদর্শন করেন।
চলমান কঠোর লকডাউন পরিস্থিতিতে সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি (হেলথ প্রটোকল) যথাযথভাবে প্রতিপালনে শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি জনাব রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালকবৃন্দ এম. আহসানুল হক, মোহাম্মদ হাসান (জ্যাকি), বিজিএমইএ কমপ্লায়েন্স বিষয়ক কমিটি’র চেয়ারম্যান আ.ন.ম. সাইফউদ্দীন ও মেসার্স মিজাব লিঃ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ ফিরোজ, সাগরিকা এলাকাস্থ বিজিএমইএ ক্রাইসিস মনিটরিং টীম-এর সদস্যবৃন্দ সহ প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিজিএমইএ কর্মকর্তাবৃন্দ।
এ’সময় বিজিএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যেও জীবন জীবিকার স্বার্থে বিজিএমইএ’র অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনপূর্বক সরকার পোশাক কারখানা চালু রাখার অনুমতি প্রদান করেছে। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে পোশাক শিল্পে কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীদের যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি প্রতিপালন পূর্বক কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে জাতীয় রপ্তানীর ধারা অব্যাহত রাখায় শ্রমিক-কর্মচারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। কারখানার মালিক-শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালনের জন্য আহবান জানান অন্যথায় সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়ে রপ্তানীখাতে সমূহ বিপর্যয়ের আশংকা রয়েছে। একইসাথে তিনি অর্থনৈতিক ফ্রন্টলাইনার যোদ্ধা হিসেবে পোশাক শিল্প শ্রমিকদের দ্রুত টিকা প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতি অনুরোধ জানান।
বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি জনাব রাকিবুল আলম চৌধুরী জাতীয় অর্থনীতির বৃহত্তর স্বার্থে পোশাক শিল্প তথা মালিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রেণে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগীতা কামনা করেন।
কভিড-১৯ বিষয়ে গঠিত বিজিএমইএ’র ক্রাইসিস মনিটরিং টীম কর্তৃক কারখানা পরিদর্শন কার্যক্রমের আওতায় শ্রমিকদেরকে কাপড়ের তৈরী মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা, কারখানায় প্রবেশের সময় জীবানুনাশক/সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ও পা পরিস্কার করা, থার্মোমিটার দিয়ে তাপমাত্রা মাপা, কর্মক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, বিজিএমইএ হাসপাতালে করোনা টেষ্ট ও পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুবিধা বিষয়ে অবহিত করা সহ বিজিএমইএ কর্তৃক প্রকাশিত স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য সম্ভলিত পোষ্টার, ব্যানার এবং ডাইফ কর্তৃক প্রদানকৃত পেশাগত সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক নির্দেশিকা শ্রমিকদের মাঝে বিতরণ করা হয়। এ’ছাড়াও কারখানায় যথাযত সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা, সেকশান/ ফ্লোর অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন সময়ে ছু্িট প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ যথাযথভাবে নিশ্চিতকরণে বিজিএমইএ মনিটরিং টীম চট্টগ্রামস্থ পোশাক কারখানাসমূহে নিয়মিতভাবে মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
উল্লেখ্য কভিড-১৯ সংক্রমণ প্রতিরোধে চট্টগ্রামস্থ পোশাক কারখানাসমূহে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন তদারকির লক্ষ্যে বিজিএমইএ কর্তৃক পোশাক শিল্পের মালিকদের সমন্বয়ে ১০ টি জোনভিত্তিক ক্রাইসিস মনিটরিং টীম গঠন করা হয়। উক্ত টীম মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।







Discussion about this post