আরাজ মিয়ার জন্য আরজ
**
নজরুল ইসলাম হাবিবী
**
আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও ফররুখ আহমদ এর পর গোলাম মোস্তাফ ও বেনজীর আহমদ নবী প্রেমের সুরের রেশ টেনে ধরে রেখেছিলেন।
তাঁদের বিদায়ের পর খাঁটি ও খালেছ ইসলামী গান, গজল ও কবিতার কয়েকজন সেবকের মধ্যে কবি আলহাজ্ব আরাজ মিয়ার নাম উল্লেখযোগ্য।
তাঁর সব লেখাই দেশ, দশ, আল্লাহ, রাসূল এবং নানা সৃষ্ঠির অপরূপ বর্ণনায় পূর্ণ।
তিনি একজন পরিপূর্ণ মানুষ। সাহিত্য সেবার পাশাপাশি সমাজ ও অসহায় পরিবারেরও খবরাখবর রাখেন। দান খয়রাত করে আনন্দ পান।
কবির কিছু লেখা অনেকের মত আমারও পছন্দর নয়। এর মূল কারণ হল, উনার মত নবী প্রেম ও দেশপ্রেম আমাদের নেই। উনি আল্লাহ এবং সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ রাসূল মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়া সাল্লামকে মননের মধু ও মদিরা দিয়ে দেখেছেন। সহস্ররূপে সুরের ছবি এঁকেছেন। তিনি কালজয়ী এমন কতক কবিতা-গজল রচনা করেছেন যা কবর, হাশর, পুলসিরাত ও কিয়ামতের মুক্তির জরিয়া হবে বলে আমার পরম বিশ্বাস।
আরাজ মিয়ার কিছু কথা মনে হবে খুবই চরম ও গরম। বাস্তবে তা নয়। আসল কথা হল, তিনি সত্যকথা বলতে চেষ্ঠা করেছেন। বলতে কি, কবির অনেক তিক্ত কথা আমার পছন্দের নয়।
কিন্তু আরবীতে বলে, “আল হক্ক মুর্”-সত্য তিক্ত। তিতা কারো অপছন্দের হলেও কারো জন্য তা ‘ঔষধ’। তিনি গরম চরম লেখার মাধ্যমে দেশ ও ধর্মের জন্য ঔষধ বিতরণ করেছেন। তিনি মনে ও জীবনে যা বিশ্বাস করেন তাই লিখেন, লিখেছেন। এই এক জায়গায় তিনি আপোশহীন, এখানেই তিনি স্বতন্ত্র।
আমার সৌভাগ্য যে, কবির দুটি বই আমি সম্পাদনা করার সৌভাগ্য অর্জন করেছি। ।তিনি বেশ কিছু ভাল বই এর লেখক। আমি অধমও এই লেখকের সাহিত্যের ছায়াসঙ্গী। মায়ার সঙ্গী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকেও তিনি অতি পরিচিত সম্মানিত একটি নাম।
আমি তাঁর সুস্থ ও দীর্ঘজীবন প্রত্যাশা করি।
কামনা করি সবার সংগ্রহে রাখার মত এই বইটির প্রচার ও প্রসার।
হে আল্লাহ! আপনি আরাজ মিয়ার কলমকে কবুল ও মঞ্জুর করুন। তাঁর গুনা-খতা মাফ করে দিন। তাঁর তকলিফকে কিয়ামতের মাঠে মুক্তির নতিজা, শাফায়াতের আজরে আজীম রূপে কবুল করুন, আমীন।
বিনীত,
নজরুল ইসলাম হাবিবী
ডাইরেক্টর:
কলম সাহিত্য সংসদ লন্ডন
ও
সারাহ-হাবিব ট্রাস্ট লন্ডন।
( কবির বইয়ের সম্পাদকীয়’র জন্য লেখা)।





Discussion about this post