মওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন মাটি ও মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ ও নিখাঁদ দেশপ্রেমে অত্যুজ্জ্বল চিন্তক ও সাধক
কলম টিভি, নিউজ ডেক্সঃ উপমহাদেশের মহান বিপ্লবী স্বাধীনতা সংগ্রামী সাংবাদপত্রের সম্পাদক ও সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, সাহিত্যিক, দার্শনিক, লেখক, গবেষক, রাজনীতিবিদ ও চিন্তাবিদ মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর ৭২ তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে স্বেচ্ছাসেবী সমাজ উন্নয়নমূলক সংগঠন পরিস্থিতি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে গত ২৫ অক্টোবর -২০২২ মঙ্গলবার বিকাল ৪ ঘটিকায় নগরীর কদম মোবারকস্থ চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুরনাহার হলে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরিস্থিতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও পরিস্থিতি২৪ডটকম’র সম্পাদক এ কে এম আবু ইউসুফের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। সিএইচআরসি’র সভাপতি সোহেল মো. ফখরুদ-দীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলামিষ্ট, প্রাবন্ধিক ,নাট্যজন কবি ওসমান গণি চেীধুরী ( অভীক ওসমান)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,চন্দনাইশ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য আবু আহমদ চেীধুরী জুনু, ইসলামাবাদীর দেীহিত্র গাজী ইসলামাবাদী, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিজিএম একরাম হোসেন, বিশিষ্ট আইনবিদ এপিপি নাছির উদ্দিন, রাজনীতিবিদ এম হাশেম রাজু ,বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: আব্বাস উদ্দীন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার দুলাল কান্তি বড়ুয়া, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইউনুস কুতুবী, শিক্ষক মিন্টু কুমার দাশ, ডা. সুভাস চন্দ্র সেন, ফটোসাংবাদিক ওছমান জাহাঙ্গীর, সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ রানা, সংগঠক স.ম জিয়াউর রহমান, সাংবাদিক নজরুল ইসলাম, প্রাবন্ধিক আবদুল্লাহ মজুমদার, লায়ন আবু তাহের, শিক্ষক গাজী বোরহান উদ্দীন, বেলাল হোসেন মিন্টু,সমীরণ পাল, নিজাম উদ্দীন চেীধুরী,সাংবাদিক ইমতিয়াজ ফারুকী, ইমরান সোহেল,ইউসুফ জালাল ,নুরুজ্জামান, নাদের আলী, মো: সাহেদ প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পরিস্থিতি২৪ডটকম এর যুগ্ম সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন।
প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বলেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ধর্মচর্চা, শিক্ষা, সাহিত্য, রাজনীতি, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবার পরিমণ্ডলে তিনি অপরিসীম অবদান রেখে গেছেন। প্রধান আলোচক অভীক ওসমান বলেন,মওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী বাংলার মুসলমানদের মাঝে আত্মজাগরণের প্রেরণা ছড়িয়ে দেন এবং সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক অধিকার আদায়ে পিছিয়ে পড়া মুসলমানদের অগ্রসর করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি চট্টগ্রামের দক্ষিণ মহকুমার কর্ণফুলীর তীরবর্তী দেয়াং পাহাড়ে জাতীয় আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ছিল তার আজীবন। ১৯১৫ সালে তিনি সেই লক্ষ্যে সরকার থেকে ৬০০ বিঘা জমি ও ওই এলাকার জমিদার আলী খান থেকে ৫০০ কানি ভূমি রেজিস্ট্রি মূলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গ্রহণ করেছিলেন।সে ধারাবাহিকতায় দেশের জাতীয় আরবী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদীর স্বপ্ন বাস্তবায়ন । এছাড়াও বক্তারা বলেন, মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক, উদার মানবতাবাদী, সাংবাদিকতা জগতের পথিকৃৎ, ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর রাজনীতিবিদ, শিক্ষক এবং বিচক্ষণ সাংগঠনিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর কর্ম ও ধ্যান ছিল সাধারণ মানুষের বহুমাত্রিক উন্নয়ন। মাওলানা ইসলামাবাদীর সমগ্র জীবন ছিল সংগ্রামী ও কর্মময়। শিক্ষকতা-সাংবাদিকতা, ধর্মপ্রচার ও রাজনীতিতে, সমাজসেবা ও শিক্ষা আন্দোলনে, নারী-শিক্ষায়, সাহিত্যকর্ম এবং একটি শিক্ষিত জ্ঞাননির্ভর ও উদারপন্থী জাতি প্রতিষ্ঠায় তাঁর সারাজীবনের ত্যাগ-তিতিক্ষা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বাঙালি চিরকাল স্মরণ করবে।







Discussion about this post