আজ ১৭ই সেপ্টেম্বর মহান শিক্ষা দিবস। ১৯৬২ সালের আজকের এই দিনে আত্মত্যাগকারী শহীদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল নেতা এন মোহাম্মদ রিমনের ব্যক্তিগত উদ্যোগে অদ্য বিকাল ৪ ঘটিকায় নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ে মেধাবী শিক্ষার্থী ও একটি এতিমখানার শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাসামগ্রী প্রদান করেন।
এইসময় নগর ছাত্রদল নেতা এন মোহাম্মদ রিমন শিক্ষা দিবসকে স্মরণের প্রেক্ষাপটে বলেন,১৯৬২ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস। শিক্ষার অধিকার আদায়ে এই দিনেই ঢাকার রাজপথে তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্টির পুলিশের গুলিতে জীবন উৎস্বর্গ করেছিল মোস্তফা, ওয়াজিল্লাহ, বাবুল প্রমুখ ছাত্র নেতারা। পাকিস্তানের সামরিক শাসক ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খানের শাসনামলে শরীফ কমিশনের নেতৃত্বে একটি শিক্ষানীতি প্রনয়ণ করা হয়েছিল। যে শিক্ষানীতির বেশ কিছু বক্তব্য তৎকালীন পাকিস্তানের মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সাথে প্রাসঙ্গিক ছিল না। পাকিস্তান জন্মের পর থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত অর্থাৎ ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত ইতিহাসে সংঘটিত নানা ঘটনার মধ্যে ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসাবে বিবেচিত। ৫০দশকের স্বাধিকার আন্দোলন এবং ষাটের দশকের শেষ নাগাদ স্বাধীকার থেকে স্বাধীনতা আন্দোলনের সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
আজ এই দিনে সেইসকল আত্মত্যাগকারী শহীদদের বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি এবং উনাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।
এইসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদল নেতা জানে আলম কুসুম, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম সায়েল,ফেনী জেলা ছাত্রদলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এম রিয়াদ মজুমদার, বিকেটিটিসি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও খুলশী থানা ছাত্রদল নেতা মো সোহাগ হোসাইন, চকবাজার থানা ছাত্রদল নেতা মো ইকরামুল ইসলাম, মহসিন কলেজ ছাত্রদল নেতা মো মাহফুজুর রহমান ,কোতোয়ালি থানা ছাত্রদল নেতা মো রিদোয়ানুল ইসলাম, কুতুবদিয়া সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা মো মোরশেদ আলম, ন্যাশনাল পলিটেকনিক কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মো আরাফাতুর রহমান রাফি,ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা মো সোহেল ও মো নাঈমুল ইসলাম সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
Discussion about this post