স্বদেশ
সন্দেশ
নজরুল ইসলাম হাবিবী
*
দেশে যাবার আগে আমি একটা লিস্ট করি কার বাসায় কি খাব
যদিও বা কেউ আমাকে দাওয়াত করেন না, আমি গায়ে পড়ে দাওয়াত আদায় করি।
১১ বছর পর দেশে গিয়ে গ্রামে ছিলাম তিন ঘন্টা।
বাড়ির উঠোনে আমাকে ঘিরে বিশাল আয়োজন। তিন/চার প্রজন্মের সকল আত্মীয়-স্বজন এসেছেন। আমি উপস্থিত হয়েছি সন্ধ্যার দিকে, অনুষ্ঠান শেষের পর।
আরেকবার গিয়েছি রাহাত মামুন সহ আমার বাড়ির সামনে এতিমখানা উদ্বোধন করার জন্য। সেদিনও আমি বাড়ির উঠোন পর্যন্ত প্রবেশ করার সময় পাইনি।
সে বার গিয়েছিলাম বগুড়া ও গাইবান্ধা।
গাইবান্ধার মানুষেরা শুধু ‘গাই’কে বেঁধে রাখে না, মানুষকেও বেঁধে রাখতে পারে ভালোবাসা দিয়ে।
হসপিটাল থেকে সুদূর ঢাকা হয়ে গাইবান্ধা। কঠিন সফর। অমলিন ভালোবাসার বন্ধন। আজম চৌধুরী, সোহেল, নীলা করিম না হলে আমি এ সাহস পেতাম না। হসপিটালে দেখতে এসেছিল ঢাকার কতিপয় নেতা, ইউনুস ভাই, এবং জামালপুরের সভাপতি রাহিল রিফাত। সোহেল, ফাহিম সব সময় আমার সাথে ছিল।
ঢাকায় থেকেও বইমেলায় যেতে পারিনি। বইমেলায় কয়েকজন লেখকের বই এর মোড়ক উম্মোচন করার কথা ছিল।
আমার সফরসঙ্গী ছিল, আজম চৌধুরী, ইউনুছ ইবনে জয়নাল, খোরশেদ আলম খোকন , মিলন মিয়া। আমাদের ড্রাইভার সাদ্দাম হোসেন এবং সাদেক চৌধুরী।
আমার বাংলাদেশ সফরের সব কৃতিত্ব, সব আনন্দ সাদ্দাম হোসেনের জন্য নিবেদিত হলো।
প্রসঙ্গক্রমে বলি, ‘গাইবান্ধা’ নামটি পরিবর্তন করা যেতে পারে। সেই ব্যবস্থা সরকারে আছে। সরকার ইতিমধ্যে অনেক কিছুর নাম পরিবর্তন করেছেন।
বগুড়ার ইউনুছ, তার পরিবার, ভাই, বোন, বন্ধু, তার বাড়ি, প্রতিবেশী আজ আমার স্মৃতি, আমার ইতিহাস। বিষয়টি আমরা জানি। এখানে বলা বাহুল্য।
এবার দাওয়াত নিয়েছি (পেয়েছি নয়) আমাদের ময়মনসিংহ বিভাগের সভাপতির বাড়িতে। এ দাওয়াত নিয়েছি মান্নান ভাইয়ের পুরাঙ্গিনী আমাদের ভাবীর নিকট থেকে।
ভাবীর সাথে কথা হয়েছে, আমি গেলে তিনি মাছের সাথে বেগুন মিশিয়ে এক ধরনের ভর্তা করে আমাকে খেতে দেবেন।
কলমের জয়পুরহাট জেলার সভানেত্রী ইলা বলেছেন, তিনি ভেজিটেবল দিয়ে এক ধরনের ভর্তা বানাবেন। যার গঠনপ্রণালি তিনি এখন বলবেন না।
আপনাদের দাওয়াত প্রত্যাশী
নজরুল ইসলাম হাবিবী
লন্ডন থেকে
০৩.১১.২০২০







Discussion about this post