Culture is nothing but the reflextion of human character. এই জগতে প্রতিটি জাতি-গোষ্ঠীর আলাদা আলাদা সংস্কৃতি রয়েছে যা তাদেরকে চিহৃিত করে।একজনহিন্দু যেখানে মুসলিমদের নামাজ পড়া অবস্থায় ঐ কক্ষে প্রবেশ করে না বা মসজিদে প্রবেশ করে না বা ঈদের জামাতে গিয়ে বসে থাকে না বা তাদের ধর্মের সৌন্দর্ষ ঐ আয়োজনে বয়ান করে না তেমনি মাথা নষ্ট ব্যক্তি ছাড়া এই ধরনের কর্মকান্ড কেউ সমর্থন করতে পারে না,অন্যের কৃষ্টি,কালচার সংস্কৃতি গ্রহণ স্বাভাবিক ভাবে কেউ কখনও গ্রহন করে না।
বিশ্ব মানবতার দূত হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এ ধরনের কর্ম কান্ড তিনি নিজেই প্রত্যাখান করেছেন।কেননা মহান আল্লাহ পবিত্র কোরানে বলেন, ‘বলুন, হে কাফিররা ! আমি ইবাদত করি না,তোমরা যার ইবাদত কর।তোমরা ও তার ইবাদতকারী নও,যার ইবাদত আমি করি। আমি ইবাদতকারী নই, যার ইবাদত তোমরা কর।তোমরা তার ইবাদতকারী নও, যার ইবাদত আমি করি। তোমাদের দীন তোমাদের জন্যে, আমার দীন আমার জন্যে।’
শিরক হচ্ছে বড় অপরাধ।শিরক এমন অপরাধ আল্লাহ কখনও ক্ষমা করবেন না যা মহান আল্লাহ নিজে
ঘোষনা দিয়েছেন। পবিত্র কোরানে বলা হয়েছে, নিশ্চয়,ই আল্লাহর সাথে শিরক হচ্ছে সবচেয়ে বড় অন্যায়।
(সুরা লুকমানঃ ১৩)
মহান আল্লাহ্ আরো বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সাথে অংশী স্থাপন করলে তাকে ক্ষমা করবেন না, কিন্তু এর চেয়ে ছোট পাপ যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন এবং যে কেউ আল্লাহর অংশী স্থির করে,সেই মহাপাপে আবদ্ধ হয়েছে। (সূরা নিসাঃ ৪৮)।
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন- তোমাদের কেউ কোন গর্হিত/ অন্যায় কাজ হতে দেখলে সে যেন নিজের হাতে (শক্তি প্রয়োগে) তা সংশোধন করে দেয়, যদি তার সেই ক্ষমতা না থাকে তবে যেন মুখ দ্বারা তা সংশোধন করে দেয়, আর যদি তাও না পারে তবে যেন সে ঐ কাজটিকে অন্তর থেকে ঘৃণা করে।
আর এটা হল ঈমানের নিম্নতম স্তর।
[সহিহ মুসলিম, ঈমান অধ্যায়, হাদিস নং- ৭৮]
ইসলাম, ইসলামের ইতিহাস সম্পর্কে বিন্দুমাত্র যে জ্ঞান রাখে সেই উমর ইবনে খাত্তাবের নাম শুনে নাই এমন কেউ পৃথিবীতে নেই আর তিনি,ই বলেছেন “তোমরা মুশরিকদের উপসনালয়ে তাদের উৎসবের দিনগুলোতে প্রবেশ করোনা। (বায়হাক্বী)
ধর্ম যার যার, উৎসব সবার এটি নিজ বা দলের স্বার্থে একটি সুবিধাবাদী মতবাদ।
এই কথাটি ইসলাম কখনও সমর্থন করে না অন্যদিকে অন্য কারও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বা উৎসবে ইসলাম কখনও বাধা ও দেয় না।
তারা তাদের ধর্ম অনুযায়ী বা তাদের মতো করে তাদের অনুষ্ঠান করবে তাতে ইসলাম তাদের নিরুৎসাহী করেনা
আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন
যদি কেউ কোন সম্প্রদায়ের অনুকরন করে , তাদের অনুষ্ঠানে গিয়ে তাদের উৎসাহিত করে তাহলে সে উক্ত সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গন্য হবে”।
(আবু দাউদ, আস সুনান ৪/৪৪)
এমন কি তাদের দেব- দেবীর নামে উৎসর্গকৃত প্রসাদ ও খেতে নিষেধ করা হয়েছে।
দারুল উলম দেওবন্দ ১৫৫২৬৪ ফতোয়ায বলা হয় পুজা হিন্দুদের একটি বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান এতে চাঁদা দেওয়া তাদেরকে নানান ভাবে উৎসাহিত করা কুফর, শিরক।
মহান আল্লাহ বলেন,’ আর তোমরা গুনাহ ও সীমা লঙ্গন কারীদের সাহায্য করোনা। সুরা মায়িদা- ৫(২)।
এই ছাড়াও ৬২৪৬৪, ৬৩৯৫০ নং ফতোয়ায় বলা হয় হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহন করা ও হারাম পরস্পর সম্পর্কের ভিত্তিতে বা চাপে পড়ে, রাজনৈতিক কারনে।
সুরা হুদ-১১:১১৩ মহান আল্লাহ বলেন,আর পাপিষ্ট দের প্রতি ঝুঁকবে না অন্যত্রায় জাহান্নামের আগুন তোমাদের স্পর্শ করবে।
মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে প্রতিটি ক্ষেত্রে অতি উৎসাহী আদিখ্যাতা পরিহার করে ইসলামী শরিয়ত ও বিধিবিধান মেনে যার যার ধর্ম তাকে তার মত পালন করার ক্ষেত্রে যেন আমরা সবাই সর্বাথক সহযোগিতা করি উক্ত কর্মযজ্ঞটি যার যার ধর্মকে খাটো করার ক্ষেত্রে বা কোন দল বা গোষ্ঠির স্বার্থ হাসিলে নানা অপ কৌশলের অন্যতম কিনা তা খতিয়ে দেখা উচিত।যারা জড়িত তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত ও ভবিষৎ এই ধরনের কর্মকান্ড পরিহার করা উচিত।
লেখক –
মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।
কবি, প্রাবন্ধিক ও গণমাধ্যমকর্মী।







Discussion about this post