কুতুব উদ্দিন রাজু, চট্টগ্রামঃ
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজ সেবক আলহাজ্ব হাসান মাহমুদ চৌধুরী সিআইপি তিনি সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কাশেম-নুর ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ও কে এন হারবার কনসোর্টিয়ামের ব্যবস্হাপনা পরিচালক।
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসে অসহায় মানুষের পাশে থেকে লক্ষ লক্ষ মধ্যবিক্ত,গরীব, দুঃস্থদের মাঝে রাতের আধারে ঘরে ঘরে উপহার সামগ্রী পৌছে দিচ্ছেন,ঠিক একই নিয়মে পবিত্র মাহে রমজানের জন্যও সেহেরি ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে যাচ্ছে। তার কার্যক্রম জেলা ও উপজেলাসহ মহানগরীতে এ বিতরণ অব্যহত রয়েছে।
হাসান মাহমুদ চৌধুরী মানবতা চট্টগ্রাম পেরিয়ে রাজধানীতে মানবতার সেবা করার জন্য সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কাশেম-নুর ফাউন্ডেশনের অর্থায়ানে ঢাকা মিরপুর বাংলা কলেজে করোনা ভাইরাস মোকাবেলার জন্য হাসপাতাল করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
“ক্যারাভান হাসপাতাল” এটি দেখতে কয়েকটি কন্টেইনারের মত, এগুলো যে কোন সময় দ্রুত অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া যায়। এ ধরনের ২৫টি ভ্রাম্যমাণ কন্টেইনার করে দেশে প্রথমবারের মতো চালু হতে যাচ্ছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ক্যারাভান হাসপাতাল, প্রাথমিক পর্যায়ে এ হাসপাতালে ২০টি আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর থাকবে। আরো থাকবে ৭২টি নরমাল শয্যা।
কাশেম-নুর ফাউন্ডেশনের কো-চেয়ারম্যান ও কে এন হারবার কনসোটিয়ামের ব্যবস্হাপনা পরিচালক হাসান মাহমুদ বলেন, খুব শীগ্রই ক্যারাভান হাসপাতালের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। কন্টেইনার গুলোর দীর্ঘ ৪০ ফুট,১৪টি দীর্ঘ ২০ ফুট, ১১টি ভ্রাম্যমাণ অবকাঠামো রয়েছে। এ গুলো দেশের দক্ষিণাঞ্চলে গ্যাসকূপ খননের জন্য কাজ করে। এখন খননের কাজ বন্ধ থাকায় আমরা মানবতার সেবার জন্য ব্যবহার করতে চাই। এ কন্টেইনার গুলোর ভিতরে আছে ডাইনিং, লন্ড্রি, কনফারেন্স রুম ও জরুরি চিকিৎসা সেবা।
হাসান মাহমুদ আরো বলেন,সরকারি সিদ্ধান্ত পাওয়া গেলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ঢাকা মিরপুর এলাকার সাংসদ সদস্য আসলামুল হক বাংলা কলেজ মাঠে কাজ শুরু হবে। আমরা এমপিকে হাসপাতালের জন্য বিদ্যুৎ, পানি ও সুয়ারেজ ব্যবস্হা করতে অনুরোধ করছি।
কাশেম-নুর ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা বলেন, আমরা গত ১১ এপ্রিল সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করছি, ১৪ এপ্রিল থেকে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য কাজ শুরু হয়। ক্যারাভান হাসপাতাল হচ্ছে বিষয়টি স্হানীয় সাংসদ জেনে এ নিয়ে খুব আগ্রহ দেখান। এ হাসপাতাল সরকারি নিয়ম মেনে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। আর চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয় করবে সরকারি কর্মকর্তারা। কে এন হারবার কনসোটিয়ামের অধীনে হাসপাতালটি নির্মাণ করা হবে স্হাপনের জন্য ব্যয় হতে পারে আট কোটি টাকা, পুরো টাকাটা খরচ করবে সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান কাশেম-নুর ফাউন্ডেশন।
Discussion about this post