জুবাইর মাহমুদ, টেকনাফ।
সম্প্রতি বিশ্ব যখন করোনা মহামারি নিয়ে অাক্রান্ত তখন কে কার খবর রাখে! ঠিক তখনি সমাজের অবহেলিত মানুষের জন্য এক নতুন পদক্ষেপ গড়ে তুলেছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন! মাস্তুল ফাউন্ডেশন সমাজের অবহেলিত মানুষ যাদের দেখা শুনা করার মত কেউ নেই পরিবার নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সেইসব মানুষগুলোর জন্য মুখে হাসি ফোটাতে এক ব্যাতিক্রমি উদ্যোগ নিয়েছে!
যার মাধ্যমে একজন মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারে !
সমাজের মধ্যে যারা অবহেলিত তাদেরকে বিভিন্ন দোকান এবং পন্য সামগ্রী অনুদানের মাধ্যমে এ স্বাবলম্বী প্রজেক্ট পরিচালিত হচ্ছে !
তেমনি একজনের গল্প নুরুল আলমের, যে একটি দুর্ঘটনায় তার একটি পা হারায় এবং পা হারানোর পর তার পরিবার অসহায় হয়ে পড়ে !
দীর্ঘদিন কষ্টের পর সামান্য কিছু ঋন দিয়ে শুরু করেছিলো সামান্য একটি চায়ের দোকান কিন্তু একদিকে নিজের ঔষধ,পরিবার ও ঋনের বোঝা বইতে বইতে এক প্রকারের হতাশ হয়ে উঠেন তিনি, তখনি একজন সচেতন ও স্বেচ্চাসেবী ভাইয়ের মাধ্যমে মাস্তুল ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলার প্রতিনিধি রাশেদের কাছে খবরটি পৌছে দেন। উক্ত সংস্থার জেলা প্রতিনিধি রবিউল হাসান রাশেদ তখন খবরটি শুনে মানবিকতা ও আন্তরিকতার টানে তখনি উক্ত দোকানের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য নিয়ে উপস্থিত হয় স্বশরীরে। সাথে করে নিয়ে যায় মাস্তুল ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলা টিম ! অবাক করে তুলে নুরুল আলমকে, যিনি কিনা ছিলেন হতাশার গ্লানিতে ডুবিডুবি, মাস্তুল ফাউন্ডেশনের টিমকে দেখে তিনি আবার জেগে উঠে, মুছে ফেলে সকল গ্লানি, এক মুঠো স্বপ্ন নিয়ে তার নবচিন্তনের সুচনা হয়।
এ ব্যাপারে মাস্তুল ফাউন্ডেশন কক্সবাজার টিমের সাথে কথা বলে জানা যায়ঃ মাস্তুল ফাউন্ডেশন এরকম পুরো বাংলাদেশব্যাপী মানুষদের স্বাবলম্বী করার প্রত্যয়ে কাজ করে আসছে যাতে করে সমাজের অবহেলিত মানুষ তার জীবিকা নির্বাহ করে পরিবারের অভাব দুর করতে পারে ও স্বাবলম্বী হয়ে সমাজ তথা রাষ্ট্রের অর্থনীতি তে ভুমিকা রাখতে পারে । উক্ত উপকারভোগী নুরুল আলম কে স্বাবলম্বী প্রজেক্ট এর পণ্যসামগ্রী প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন মাস্তুল ফাউন্ডেশন কক্সবাজার জেলার প্রতিনিধি রবিউল হাসান রাশেদ, মোরশেদ,সফিউল, সাইফুল, রুবেল, ঈমরান সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য যে, মাস্তুল ফাউন্ডেশনের “স্বাবলম্বী” প্রজেক্ট এর উক্ত উপকারভোগীর বাড়ি হল কক্সবাজার এর রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়ন। উপকারভোগীর কাছে তার অনুভূতি জানতে চাওয়া হলে নুরুল আলম জানান, তিনি রাশেদ কে দেখে নতুন আশার সঞ্জার খুজে পেয়েছেন এবং প্রদানকৃত দ্রব্যাদি দিয়ে সে নিজের দোকানকে আরো সমৃদ্ধ করবে পরিবার কে স্বাবলম্বী করে তোলার চেষ্ঠা অব্যাহত রাখবে। তিনি উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।







Discussion about this post