উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আক্রান্ত হওয়ার আগে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে মানুষকে ঘরমুখী করতে, মাস্ক, সাবান-হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও গণপরিবহন বন্ধ রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, অসহায় মানুষের ঘরে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দিতে দিন-রাত ছুটে বেড়িয়েছেন মো. রবিউল হাসান।
গত ১৩ জুন তার অসুস্থবোধ হলে ১৫ জুন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করেন। নোয়াখালীর আকদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজের ল্যাব থেকে রিপোর্ট পেতে দেরি হলে ২৩জুন চট্রগ্রাম চলে যান। সেখানে নমুনা দিলে তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। শ্বাসকষ্ট অনুভব হলে সেখানকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে নোয়াখালী থেকে প্রেরিত প্রতিবেদনেও করোনা পজেটিভ আসে। ৩ জুলাই চট্টগ্রামে আবার নমুনা দিলে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।
Discussion about this post