নিউজ ডেক্স, কলম টিভিঃ
চট্টগ্রাম নগরীর একুশের বই মেলায় “রক্তের বর্ণমালা”বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান ১ মার্চ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কবি ও গবেষক এবিএম ফয়েজ উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মোড়া উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।প্রধান আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কবি ও প্রাবন্ধিক মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক ও গবেষক নিযামুদ্দিন,কবি ও লেখক অভিজিৎ বড়ুয়া অভি, কবি আরিফ চৌধুরী,কবি আলমগীর হোসাইন, কবি ও গীতিকার মোঃ হোসেন ইব্রাহিম,কবি ও অধ্যাপক মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বেলাল,কবি অধ্যাপক ইউনুস মিয়া, বাচিক শিল্পী সাইফুল আজম (শাকিল) যুব নেতা মাঈনুল ইসলাম সহ স্বনামধন্য কবি ও লেখকগণ।
মোড়ক উন্মোচন শেষে রক্তের বর্ণমালা কাব্যগ্রন্থ নিয়ে ও কবিতার শরীর,স্বাস্থ্য নিয়ে বিশদ আলোচনা হয় তা এক পর্যায়ে যেন কবি,লেখকদের স্মরণকালের মিলন মেলায় রূপ লাভ করে।উক্ত লেখক আড্ডায় নবীন প্রবীণ সাহিত্য প্রেমীদের সাথে ফলপ্রসূ মতবিনিময়,কবিতা আবৃত্তি যা আগামী তে কবিতা নির্মানে বড় ভুমিকা রাখবে বলে উপস্থিত গুণীজনদের বিশ্বাস। প্রধান অতিথি সকল কবিদের এই ধরনের কর্মযজ্ঞের ভুয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন,সাহিত্য যেন হয় মানুষের কল্যানে।তিনি আরো বলেন,বাংলা ভাষাকে ভালবেসে প্রবাসী কবিদের এই ধরনের কর্মপ্রচেষ্টা ও ভালবাসা বাংলা ভাষাকে বিশ্ব দরবারে আরো বেশি আমাদের পরিচয় করিয়ে দেবে।তাই বাংলা ভাষার প্রচার,প্রসারে আমাদের সবাইকে ভুমিকা রাখার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
প্রধান আলোচক কবি ও আধুনিক কবিতা ও ” রক্তের বর্ণমালা” কাব্যগ্রন্থ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন আধুনিকতা একটি আন্দোলন যা উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে পশ্চিমা সুদূর প্রসারী ও ব্যাপক রূপান্তরের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক প্রবণতা ও পরিবর্তনের সাথে সাথে এর উত্থান ঘটে।দেশের উন্নয়নে যারা সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রাখে তাঁরা প্রবাসী আর তাঁরাই বিদেশে থেকে রাতদিন পরিশ্রম করে দেশের উন্নয়নে,বাংলা ভাষা ও দেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিকাশে যে অবদান রাখছে এ বইটি তার জলন্ত প্রমান।
তিনি আরও বলেন, কবিতার পরিধি,কৌশল,ছন্দ ও আবৃত্তির কারনে দশকে দশকে বদলে গেছে কবিতা। রবীন্দ্রনাথের জীবিত অবস্হায় বা ত্রিশের কবিরা কবিতাকে বদলে দিয়েছেন।প্রতিটি দশকে দশকে কবিতার উন্নতি হয়েছে ষাটের কবিরা বা এর পরবর্তী কবিরা কবিতায় ভিন্ন মাত্রা দিয়েছেন। কবিরা কবিতায় এনেছেন নতুনত্ব।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বনামধন্য কবিগণ তাদের গুরুত্বপুর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।পরিশেষে সভাপতি তাঁর বক্তব্যে সবাইকে ধন্যবাদ জানান।







Discussion about this post