কবিতা নাম :অভিনন্দন অভিনন্দন
লেখক : নজরুল ইসলাম হাবিবী
শোনার এবং দেখার সুবিধার জন্য কবিতাটি এখানে এড করে দেয়া হলো:
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
তোমাদের সফলতায় খুশি এই মন
তোমাদের আনন্দে হাসিছে ভুবন।
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
তোমরা আমাদের সোনালি সন্তান
কুর্নিশ অগনন
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
আজি এ বিশ্ব
ন্যায়-নীতি নিঃস্ব
দিকে দিকে অবিচার
হাহাকার
অনাহার,
চাই তোমাকে থামাতে সে ক্রন্দন
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
তোমাদের সফলতা বিশ্বের জন্য
নাহি হবে তোমরা স্বৈরাচার পণ্য,
সমাজের তরে কভু নাহি হবে বন্য,
তোমরা অনন্য
হও ভবে গণ্য
ঘুমন্ত জাতির প্রাণ স্পন্দন
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
বিশ্ব আজ বিভক্ত
চারিদিকে রক্ত
অবিশ্বাস দীর্ঘশ্বাস
ঘরে ঘরে হিংসা-বিদ্বেষ
এই জাতি হয়ে গেল শেষ।
হে তরুণ! হে অরুণ!
হে আগামীর সূর্য
বাজাও প্রতিভা তূর্য,
তোমার শব্দ-সাহস দিয়ে
আনো ফের হিয়ে
জাতির সম্প্রীতির বন্ধন
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
তোমার সার্টিফিকেটে আছে পিতার তপ্ত ঘাম
তোমার সার্টিফিকেটে আছে দাদার সুনাম।
তোমার সার্টিফিকেট এই মায়ের চোখের জল
যে না খেয়ে, না পরে তোমাকে দিয়েছে
জীবন জগতের সব শক্তি বল।
তুমি তার করো না অপমান
ভেঙো না তাদের মন।
তাই যদি হয়
হবে মহা পাপী,
আমি কেড়ে নেব আমার অভিনন্দন।
তোমার সার্টিফিকেটে হক আছে রিকশাওয়ালার
যে ক্ষুধার্ত মানুষটি তোমাকে বহন করেছিল রৌদ্রতাপে, ঝড়ে-বৃষ্টিতে বাদলে তুফানে,-
হাসি-খুশি মনে।
তোমার সার্টিফিকেটে আছে কৃষকের লহু,
কাজের ছেলের, কাজের মেয়ের পবিত্র ভালোবাসা
নিষ্পেষিত-নির্যাতিত মানুষের ব্যথা কষ্ট আশা।
চেয়ারে বসার আগে, সানগ্লাস পরার আগে
তার কাছে যাও, ক্ষমা চেয়ে নাও।
বুকে নিয়ে পড়ো তার মন,
কিছুই চাইবে না সে,
চোখের জল দিয়ে, হাত তুলে বলবে সে হেসে
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
হে আমার স্রষ্টার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি,
হে স্বাধীন বাংলার সোনালী সন্তান!
চোখের জলে মহানন্দে এ প্রবাসী গাই তব গান।
তুমি আজ মোর কাব্য ভাষা
জাতির, সমাজের বহু বহু আশা
তুমি তার দেবে অধিকার
তোমাকে মেটাতে হবে বেদনা ক্ষুধার,
তোমার কলম
তোমার পৌরুষ
তোমার অর্থ-বিত্ত
তোমার জীবন
সেবার জন্য হবে, সবার জন্য হবে
চায় জনগণ।
অভিনন্দন! অভিনন্দন!!
কি হবে তোমার পাস
যদি তুমি ডেকে আনো দেশের, সমাজের, জাতির সর্বনাশ?
তার চেয়ে ভালো হবে কাট গিয়ে ঘাস
গরুরা দুধ দেবে পেট ভরে খাবে পরিজন
অভিনন্দন অভিনন্দন!!
৩১.০৫.২০২০
লন্ডন।







Discussion about this post