চট্টগ্রাম উন্নয়নের আন্দোলন সংগ্রামের যে কয়জন ব্যক্তি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন তাঁদের মধ্যে মরহুম ইউসুফ চৌধুরী ছিলেন অগ্রণী পুরুষ ও সাহসিকতার প্রতীক। চট্টগ্রামের উন্নয়ন আন্দোলনে তিনি ছিলেন পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও প্রেরণার বাতিঘর। তাঁর সাহসিকতা, চেতনা ও মূল্যবোধ আন্দোলনকামী ও উন্নয়নকামী মানুষকে আন্দোলন সংগ্রামে প্রেরণা দিত। চট্টগ্রামের ইতিহাসে তিনি ক্ষণজন্মা ব্যক্তি হিসেবে আজীবন বেঁচে থাকবেন। দৈনিক পূর্বকোণ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মরহুম ইউসুফ চৌধুরী’র ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তারা একথা বলেন।
জাতীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ডিজিটাল বাংলাদেশ পাবলিসিটি কাউন্সিল ও শহীদ মৌলভী সৈয়দ স্মারক বক্তৃতা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে দৈনিক পূর্বকোণ লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ও আধুনিক ডেইরী শিল্পের পথিকৃৎ মরহুম ইউসুফ চৌধুরী’র ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় নগরীর মোমিন রোডস্থ কদম মোবারক এম ওয়াই উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মো: খোরশেদ আলম।
প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ড. জিনবোধি ভিক্ষু। এসময় বক্তারা বলেন, মরহুম ইউসুফ চৌধুরী ছিলেন একাধারে বহুগুনের অধিকারী ব্যক্তিত্ব। তাঁর নেতৃত্বেই চট্টগ্রামে আধুনিক সংবাদপত্র ও ডেইরী শিল্পের বিকাশ ঘটে। তিনি আধুনিক ও সমৃদ্ধ ডেইরী শিল্পের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন। চট্টগ্রাম ভেটেরেনারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য ও অনস্বীকার্য।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও ডিজিটাল বাংলাদেশের একমাত্র প্রচারক স ম জিয়াউর রহমানের সঞ্চালনায় ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম লিয়াকত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মো: জসিম উদ্দিন চৌধুরী, হাজী মো: সেলিম রহমান, সজল দাশ, জামশেদ রাসেল, মো: হাসান মুরাদ, মাওলানা রবিউল আলম সিদ্দিকী, মো: গোলাম রহমান, অধ্যাপক সুমন দত্ত, মাসুমা কামাল আঁখি, বিপ্লব বিজয়, হানিফুল ইসলাম চৌধুরী, ছবির আহম্মদ, নিলয় দে, সমীরন পাল প্রমুখ।
Discussion about this post