এদেশের সকল ক্রান্তিলগ্নে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা সাহসী ভুমিকা পালন করেছে উল্লেখ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম বলেন, যেকোন দূর্যোগ দূ:সময়ে মানুষের পাশে থাকা সংগঠনটির নাম আওয়ামী লীগ। ১৯৭০ -১৯৯১ এর ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপকূলীয় এলাকার সর্বহারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল । আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে ১৯৯১ সালে ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাসে ভেসে আসা পচা গলিত লাশ নিজ হাতে দাফন করেছিলেন চট্টল বীর এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। শহরের মুসলিম হলে বেসরকারী পর্যায়ে তৈরি করেছিলেন ডায়রিয়া, কলেরা হাসপাতাল ও ওরস্যালাইন তৈরী প্রকল্প। তিনি বলেন, তাঁর সহযোদ্ধা হিসেবে আমরাও বর্তমানে করোনাভাইরাসের দুর্যোগ মোকাবিলায় জীবনবাজী রেখে কাজ করে চলেছি।এ সময় সকলকে বার বার সাবান পানি দিয়ে ভালমত হাত পরিস্কার ও প্রয়োজনে হ্যান্ড গ্লাবস পরিধানের পরামর্শ দিয়ে আরো বলেন, দ্রুত সংক্রমনশীল এ করোনা ভাইরাসের সংক্রমন রোধ করতে আমাদেরকে অবশ্যই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকারের স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে অনুশীলন করতে হবে।শুক্রবার ১৫ মে সদরঘাটে বঙ্গবন্ধু যুব ছাত্র ঐক্য পরিষদের আয়োজনে সংগঠনের আহবায়ক খলিলুর রহমান নাহিদের সহযোগিতায় আলেম সমাজের ইমাম, মুয়াজ্জিনদের উপহার সামগ্রী ও নগদ অর্থ প্রদান এবং এলাকাবাসীর মাঝে ইফতার ও উপহার সামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন এম. রেজাউল করিম চৌধুরী । চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ইবনে সালাউদ্দিন, আতাউল্লাহ চৌধুরী, নীলু নাগ, ওরারিস আলী খান, মো: আলমগীর, মাসুদুর রহমান মাসুদ. এনামুল হক মিলন, সাজ্জাদ হোসেন, জাহেদ আহম্মেদ চৌধুরী, আসাদুজ্জামান মণি, জাফর উকবাল, আজিজুর রহমান, আশিকুন নবী চৌধুরী, এস.এম.করিম, আবু তারেক রণি, শাহরিয়ার, ফয়সাল সাব্বির, নুর আবসার তানভীর, আশরাফুল আরিফ, মো: তানভীর ও মো: আল আমিন সহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
চকরিয়ার হারবাং অভয়ারণ্যে পাহাড় ও গাছ কাটার উৎসব, নীরব বন বিভাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক : কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী হারবাং বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে থামছেই না গাছ নিধন, পাহাড় কাটা ও সংরক্ষিত বনভূমি দখলের...







Discussion about this post